Tripura 365
Editorial Team
পুলিশের তরফে অনুমতি না দেওয়া হলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)(Delhi CJP Protest)। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে আরশোলাদের এই অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল রাজধানী। ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হলে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করতে ব্যাপক লাঠিচার্জ করল পুলিশ। প্রায় ৫০০০ পুলিশ ও আধা সেনা নামিয়ে কার্যত ঘিরে ফেলা হয়েছে যন্তর মন্তর চত্ত্বর।
দিল্লি পুলিশের তরফে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির তরফে পুলিশের কাছে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। যদি অনুমতি চাওয়াও হয় তবে পুলিশের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হবে না। দিল্লির এক পুলিশ কর্তা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, মিছিল সংসদের দিকে এগোলে তা থামিয়ে দেওয়া হবে। সংসদ এবং তার আশপাশের এলাকা উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তার মধ্যে পড়ে। ফলে এখানে কোনও রকম কর্মসূচি আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। পাশাপাশি এই সময় যানজটের সম্ভাবনাও থাকে ফলে সংসদ অভিযানের মতো কোনও কর্মসূচির অনুমতি দেওয়া হবে না। ওই পথে যে কোনও মিছিল থামিয়ে দেওয়াই হবে পুলিশে দায়িত্ব। যদিও সিজেপি-র তরফে পালটা বলা হয়, ‘বৃষ্টি হোক এবং আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা আজ ককরোচ-দের কেসেইমতো সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে শুরু হয় খণ্ডযুদ্ধ। এই অবস্থায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। পাশাপাশি নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় দিল্লির পাঁচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন—রাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থ সাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া সর্বত্র ৫ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।উ থামাতে পারবে না।’