Tripura 365
Editorial Team
মহাকাশে পাড়ি দিল দেশের প্রথম বেসরকারি রকেট। ‘মিশন আগমন’-এর অন্তর্গত ওই রকেটের উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে। বেলা ১২টা নাগাদ শ্রীহরিকোটার উৎক্ষেপণ সফল হতেই তৈরি হল ইতিহাস। লো আর্থ অরবিটে ৩৫০ কেজি পর্যন্ত পেলোড বহনে সক্ষম বিক্রম-১।
এদিন যখন ‘বিক্রম-১’ আকাশে উঠে গেল, তখন এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সূচনা হল। বহু বছরের কারিগরি প্রচেষ্টা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও উদ্ভাবনী প্রয়াসের এক চূড়ান্ত মুহূর্ত যেন জন্ম নিল তখন। যে মুহূর্তটি মহাকাশ পরিবহণের ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎকে নতুন রূপ দিতে পারউল্লেখ্য, স্কাইরুট অ্যারোস্পেসের তৈরি ভারতের প্রথম বেসরকারি অরবিটাল রকেট বিক্রম-১। অত্যাধুনিক লিকুইড ইঞ্জিন ও কঠিন-জ্বালানি বুস্টারের মিশেলে তৈরি এই রকেট ঘিরে প্রত্যাশা তুঙ্গে। বলে রাখা ভালো, এই মিশনে মহাকাশে পাঠানো হবে এমব্রেস নামের একটি রোবোটিক আর্মও। সেই সঙ্গেই এখানে থাকবে ১৮ ক্যারেট সোনার তৈরি একটি ক্ষুদ্র রকেট। যে রকেটে ভারতীয় বিজ্ঞানচর্চার কিংবদন্তি মুখ বিক্রম সারাভাই, এপিজে আবদুল কালাম, সিভি রমণ, বিক্রম সারাভাইয়ের মুখ খোদিত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক টেলিফোন বার্তায় প্রথম প্রচেষ্টাতেই এই অভিযানের অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য ‘স্কাইরুট’ দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ”পবন ও ভরত—আপনারা কেবল মহাকাশেই একটি নতুন বৃক্ষ রোপণ করেননি, বরং নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে মাটিতেও একটি নতুন শিকড়কে সুদৃঢ় করেছেন।”
২০১৮ সালে ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানী পবন কুমার চন্দনা এবং নাগা ভরত ডাকাকে নিয়ে ‘স্কাইরুট’ প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্রুত বর্ধনশীল ক্ষুদ্র উপগ্রহের বাজারের জন্য মহাকাশ অভিযানের সুযোগকে আরও সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত সাড়া প্রদানকারী করে তোলার লক্ষ্য নিয়েF তাঁরা এই উদ্যোগটি গ্রহণ করেছিলেন। ২০২২ সালে সংস্থাটি প্রথমবারের মতো ইতিহাস সৃষ্টি করে, যখন তাদের তৈরি ‘বিক্রম-এস’ রকেটটি মহাকাশে পৌঁছায়।ে।