দিল্লিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর পুরোহিত্তে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রদ্যুত কিশোর দেববর্মনের বৈঠক, উপস্থিত ছিলেন সম্বিত পাত্রা।। ছবি/৩৬৫, নিউ দিল্লি, ৪/৯/২০২৬
শহর লাগোয়া এয়ারপোর্ট রোডে স্থিত ভারতরত্ন সংঘের দুর্গোৎসবের মন্ডপ পরিকল্পনা ও রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন মেয়র দীপক মজুমদার।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ৪/৯/২০২৬
পুর নিগমের 18 নং ওয়ার্ডের অন্তর্গত রামঠাকুর লেনে নতুন জলাশয় উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিচ্ছেন পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ৪/৯/২০২৬
পুরাতন মোটরস্ট্যান্ড এলাকা ও নব নির্মিত শপিং মল পরিদর্শনে মেয়র দীপক মজুমদার।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা ,৩/৯/২০২৬
রাজ্যের বায়োটেকনোলজি কাউন্সিল ও বায়োটেকনোলজি ডিরেক্টরেটের যৌথ ব্যবস্থাপনায় “Tech-Talk: Meet the Scholar” নামে একটি নতুন উদ্যোগ শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞা ভবনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করে ভাষণ দিচ্ছেন বিজ্ঞান ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেষ দেববর্মা।। ছবি /৩৬৫, আগরতলা, ৩/৯/২০২৬
টেকনো কলেজ আয়োজিত আগাম ৬. ০ অনুষ্ঠানে উপস্থিত রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু।। ছবি /৩৬৫, আগরতলা, ৩/৯/২০২৬
কৈলাশহরে ঊনকোটি জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত বৈঠকে উপস্থিত বিধায়ক ভগবান দাস।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ৩/৯/২০২৬
বুধবার বিজেপির দলীয় কার্যালয় আয়োজিত সাংগঠনিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ কে সংবর্ধনা জানাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহা।। ছবি /৩৬৫, আগরতলা, ২/৯/২০২৬
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে খারাপ শুরু করে দিল্লি। ওপেনে নামা মিচেল মার্শ ও ঋষভ পন্থের জুটি ব্যর্থ হয়। পন্থের আউটটা কিছুটা হলেও অপ্রত্যাশিত। মিচেল মার্শের শট মুকেশের হাতে লেগে নন স্ট্রাইকারের উইকেটে লাগে আর পন্থ আউট হন। মাত্র সাত রান করে সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাঁকে। তবে এটা LSG-র ঘরের মাঠ হলেও বাকি কেউই বলার মতো কিছু করতে পারেননি। এতদিন এই মাঠে অনুশীলন করলেও বাউন্স থেকে শুরু করে বলের টার্ন বুঝতে পারেননি LSG বোলাররা।
ওপেনে নামা মিচেল মার্শ ২৮ বলে করেন ৩৫। আইডেন মার্কর্যাম করেন ৮ বলে মাত্র ১১। আয়ুষ বাদোনি, নিকোলাস পুরানরা ব্যর্থ হন। আর দলের টপ ও মিডল অর্ডার ফ্লপ হতেই ধসে যায় LSG-র ব্যাটিং। আব্দুল সামাদ একমাত্র ভরসা জোগান। তিনি ২৫ বলে করেন ৩৬ রান। দিল্লির বোলিংয়ের দাপট এতটাই ছিল যে লখনৌ ২০ ওভার ব্যাট করতে পারেনি। ১৮.৪ ওভারে ১৪১ রানে অলআউট হয় তারা।কম রান বাঁচানোর লড়াইয়ে জেতার জন্য দরকার ছিল LSG-র বোলিংয়ে দারুণ শুরু। সেটা দেন মহম্মদ সামি। তিনি ইনিংসের প্রথম বলেই ফেরান কেএল রাহুলকে। বাইরের দিকে বলে চালাতে গিয়ে থার্ড ম্যানের দিকে ক্যাচ তুলে আউট হন রাহুল। অভিজ্ঞ নীতীশ রানাও ফ্লপ করেন। ১৭ বলে করেন ১৫। অন্য ওপেনার পথুম নিশাঙ্কা মাত্র ১ রান করে আউট হন। প্রিন্স যাদবের বল তাঁর ব্যাটের কানায় লেগে যায় পন্থের কাছে। তিনি সহজেই ক্যাচ ধরে নেন।
২৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন সমীর রিজ়ভি ও ত্রিস্তান স্টাবস। সমীর একদিক থেকে চালিয়ে খেলতে থাকেন ও স্টাবস দলের হাল ধরেন। এই জুটি ৭৬ বলে ১১৯ রান তোলে। স্টাবস করেন ৩২ বলে ৩৯ ও রিজ়ভি করেন ৪৭ বলে ৭০।
স্লো পিচকে কাজে লাগিয়ে লখনৌ যে ভাবে শুরু করেছিল সেটা তারা ধরে রাখতে পারেনি। সামির ৪ ওভার দ্রুত শেষ করিয়ে দেন পন্থ। কিন্তু সামি একটি মাত্র উইকেটই নিতে পেরেছেন। অন্যদিকে মহসিন খান কার্যকর বোলিং করেন। কিন্তু তিনিও একটি উইকেট নেন। কার্যকর বোলিং করতে পারেননি শাহবাজ় আহমেদ ও আইডেন মার্কর্যাম। ফলে ১৭.১ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে জিতে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস।