পুলিশ রাজ্য দপ্তরে ডিজিপিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন এক মহিলা পুলিশ আধিকারিক।। ছবি/প্রিয়াংকু মোদক, আগরতলা, ২১/৭/২০২৬
ডিজেপি অনুরাগ ধ্যানকরের আকস্মিক মৃত্যুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মঙ্গলবার রাজ্য জুড়ে পালিত হলো রাষ্ট্রীয় শোক, অর্ধনমিত রইল জাতীয় পতাকা।। ছবি/প্রিয়াংকু মোদক, আগরতলা, ২১/৭/২০২৬
সহকর্মীদের কাঁধে করে পুলিশ রাজ্য দপ্তরে ডি জি পি-র মরদেহ।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ২১/৭/২০২৬
প্রয়াত ডিজিপি-র মরদেহ রাজ্য পুলিশ দফতরে পৌঁছলে তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি জি কে রাও।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ২১/৭/২০২৬
মহাকরণে প্রয়াত ডিজিপি কে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন রাজ্যপাল ইন্দ্র সেনা রেড্ডি নাল্লু। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ২১/৭/২০২৬
মহাকরণে প্রয়াত ডিজিপি কে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর মানিক সাহা।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ২১/৭/২০২৬
সোনম ওয়াংচুকের সমর্থনে রাজধানীর সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করলো বিভিন্ন সংগঠনের ছাত্রছাত্রীরা।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ২০/৭/২০২৬
সোমবার নিজ অফিস কক্ষে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় রাজ্য পুলিশের মহা নির্দেশক অনুবাদ ধ্যানকরের।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ২০২/৭/২৬( ফাইল ছবি)
রাজ্য ডি জি পি-র স্বাভাবিক মৃত্যুর প্রতিবাদে সোমবার বিকেলে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করলো সিপিআইএম।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ২০/৭/২০২৬
সোনম ওয়াংচুকের সমর্থনে রাজধানীর সার্কিট হাউস সংলগ্ন এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করলো বিভিন্ন সংগঠনের ছাত্রছাত্রীরা।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা, ২০/৭/২০২৬
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে খারাপ শুরু করে দিল্লি। ওপেনে নামা মিচেল মার্শ ও ঋষভ পন্থের জুটি ব্যর্থ হয়। পন্থের আউটটা কিছুটা হলেও অপ্রত্যাশিত। মিচেল মার্শের শট মুকেশের হাতে লেগে নন স্ট্রাইকারের উইকেটে লাগে আর পন্থ আউট হন। মাত্র সাত রান করে সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাঁকে। তবে এটা LSG-র ঘরের মাঠ হলেও বাকি কেউই বলার মতো কিছু করতে পারেননি। এতদিন এই মাঠে অনুশীলন করলেও বাউন্স থেকে শুরু করে বলের টার্ন বুঝতে পারেননি LSG বোলাররা।
ওপেনে নামা মিচেল মার্শ ২৮ বলে করেন ৩৫। আইডেন মার্কর্যাম করেন ৮ বলে মাত্র ১১। আয়ুষ বাদোনি, নিকোলাস পুরানরা ব্যর্থ হন। আর দলের টপ ও মিডল অর্ডার ফ্লপ হতেই ধসে যায় LSG-র ব্যাটিং। আব্দুল সামাদ একমাত্র ভরসা জোগান। তিনি ২৫ বলে করেন ৩৬ রান। দিল্লির বোলিংয়ের দাপট এতটাই ছিল যে লখনৌ ২০ ওভার ব্যাট করতে পারেনি। ১৮.৪ ওভারে ১৪১ রানে অলআউট হয় তারা।কম রান বাঁচানোর লড়াইয়ে জেতার জন্য দরকার ছিল LSG-র বোলিংয়ে দারুণ শুরু। সেটা দেন মহম্মদ সামি। তিনি ইনিংসের প্রথম বলেই ফেরান কেএল রাহুলকে। বাইরের দিকে বলে চালাতে গিয়ে থার্ড ম্যানের দিকে ক্যাচ তুলে আউট হন রাহুল। অভিজ্ঞ নীতীশ রানাও ফ্লপ করেন। ১৭ বলে করেন ১৫। অন্য ওপেনার পথুম নিশাঙ্কা মাত্র ১ রান করে আউট হন। প্রিন্স যাদবের বল তাঁর ব্যাটের কানায় লেগে যায় পন্থের কাছে। তিনি সহজেই ক্যাচ ধরে নেন।
২৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন সমীর রিজ়ভি ও ত্রিস্তান স্টাবস। সমীর একদিক থেকে চালিয়ে খেলতে থাকেন ও স্টাবস দলের হাল ধরেন। এই জুটি ৭৬ বলে ১১৯ রান তোলে। স্টাবস করেন ৩২ বলে ৩৯ ও রিজ়ভি করেন ৪৭ বলে ৭০।
স্লো পিচকে কাজে লাগিয়ে লখনৌ যে ভাবে শুরু করেছিল সেটা তারা ধরে রাখতে পারেনি। সামির ৪ ওভার দ্রুত শেষ করিয়ে দেন পন্থ। কিন্তু সামি একটি মাত্র উইকেটই নিতে পেরেছেন। অন্যদিকে মহসিন খান কার্যকর বোলিং করেন। কিন্তু তিনিও একটি উইকেট নেন। কার্যকর বোলিং করতে পারেননি শাহবাজ় আহমেদ ও আইডেন মার্কর্যাম। ফলে ১৭.১ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে জিতে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস।