রাজ্য দক্ষতা উন্নয়ন দফতর ও রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকনগরের মধ্যে মঙ্গলবার মহাকরণে এক মৌ স্বাক্ষরিত হয়।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা , ২.৬.২০২৬
টি সি এ ও ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের উদ্যোগে মঙ্গলবার রবীন্দ্রভবনে ১০ট টি ক্রিকেট কিট খেলোয়াড়দের হাতে তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃমানিক সাহা।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা , ২.৬.২০২৬
সোমবার সদর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে উমাকান্ত স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনার মহড়া।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা , ১.৬.২০২৬
সোমবার সদর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে উমাকান্ত স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয় দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনার মহড়া।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা , ১.৬.২০২৬
সোমবার পুর নিগমের ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেট পেশ করলেন মেয়র দীপক মজুমদার।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা , ১.৬.২০২৬
সোমবার সিপিআইএম পশ্চিম জেলা কার্যালয়ে নারী কনভেনশনে উপস্থিত সারা ভারত গনতান্ত্রিক নারী সমিতির সম্পাদিকা কনিণিকা ঘোষ।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা , ১.৬.২০২৬
মুক্তধারা হলে প্রধানমন্ত্রী স্বনিধি যোজনার অনুষ্ঠানে ভাষন দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় হাউসিং বোর্ড ও বিদ্যুৎ দফতরের মন্ত্রী মনোহর লাল।। ছবি/প্রিয়াংকু মোদক , আগরতলা , ৩১.৫.২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’অনুষ্ঠান চলছে রামনগর বিধানসভার এক বুথে।। ছবি/৩৬৫, আগরতলা , ৩১.৫.২০২৬
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে খারাপ শুরু করে দিল্লি। ওপেনে নামা মিচেল মার্শ ও ঋষভ পন্থের জুটি ব্যর্থ হয়। পন্থের আউটটা কিছুটা হলেও অপ্রত্যাশিত। মিচেল মার্শের শট মুকেশের হাতে লেগে নন স্ট্রাইকারের উইকেটে লাগে আর পন্থ আউট হন। মাত্র সাত রান করে সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাঁকে। তবে এটা LSG-র ঘরের মাঠ হলেও বাকি কেউই বলার মতো কিছু করতে পারেননি। এতদিন এই মাঠে অনুশীলন করলেও বাউন্স থেকে শুরু করে বলের টার্ন বুঝতে পারেননি LSG বোলাররা।
ওপেনে নামা মিচেল মার্শ ২৮ বলে করেন ৩৫। আইডেন মার্কর্যাম করেন ৮ বলে মাত্র ১১। আয়ুষ বাদোনি, নিকোলাস পুরানরা ব্যর্থ হন। আর দলের টপ ও মিডল অর্ডার ফ্লপ হতেই ধসে যায় LSG-র ব্যাটিং। আব্দুল সামাদ একমাত্র ভরসা জোগান। তিনি ২৫ বলে করেন ৩৬ রান। দিল্লির বোলিংয়ের দাপট এতটাই ছিল যে লখনৌ ২০ ওভার ব্যাট করতে পারেনি। ১৮.৪ ওভারে ১৪১ রানে অলআউট হয় তারা।কম রান বাঁচানোর লড়াইয়ে জেতার জন্য দরকার ছিল LSG-র বোলিংয়ে দারুণ শুরু। সেটা দেন মহম্মদ সামি। তিনি ইনিংসের প্রথম বলেই ফেরান কেএল রাহুলকে। বাইরের দিকে বলে চালাতে গিয়ে থার্ড ম্যানের দিকে ক্যাচ তুলে আউট হন রাহুল। অভিজ্ঞ নীতীশ রানাও ফ্লপ করেন। ১৭ বলে করেন ১৫। অন্য ওপেনার পথুম নিশাঙ্কা মাত্র ১ রান করে আউট হন। প্রিন্স যাদবের বল তাঁর ব্যাটের কানায় লেগে যায় পন্থের কাছে। তিনি সহজেই ক্যাচ ধরে নেন।
২৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন সমীর রিজ়ভি ও ত্রিস্তান স্টাবস। সমীর একদিক থেকে চালিয়ে খেলতে থাকেন ও স্টাবস দলের হাল ধরেন। এই জুটি ৭৬ বলে ১১৯ রান তোলে। স্টাবস করেন ৩২ বলে ৩৯ ও রিজ়ভি করেন ৪৭ বলে ৭০।
স্লো পিচকে কাজে লাগিয়ে লখনৌ যে ভাবে শুরু করেছিল সেটা তারা ধরে রাখতে পারেনি। সামির ৪ ওভার দ্রুত শেষ করিয়ে দেন পন্থ। কিন্তু সামি একটি মাত্র উইকেটই নিতে পেরেছেন। অন্যদিকে মহসিন খান কার্যকর বোলিং করেন। কিন্তু তিনিও একটি উইকেট নেন। কার্যকর বোলিং করতে পারেননি শাহবাজ় আহমেদ ও আইডেন মার্কর্যাম। ফলে ১৭.১ ওভারে মাত্র ৪ উইকেট হারিয়ে জিতে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস।