Tripura 365
Editorial Team
৩৬৫ প্রতিনিধি ::-- রাজনৈতিক অস্থিরতা যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না। এবার একই পরিবারের দুই সদস্যের ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রের দাবি অনুযায়ী, ৬ আগরতলা মণ্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে থাকা বীরেশ চক্রবর্তী বিজেপির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত। অন্যদিকে তাঁর ভাই অমরনাথ চক্রবর্তী কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয় মহলে আলোচনা রয়েছে। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয়, তাঁদের বাবা মানিক চক্রবর্তী কংগ্রেসের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি ছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
একই পরিবারের এক সদস্য বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্বে এবং অন্য সদস্য বিরোধী দল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত—এই পরিস্থিতি ঘিরেই এখন প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয় রাজনৈতিক কর্মীদের একাংশ।
স্থানীয় কর্মীদের অভিযোগ, একটি পরিবারের সদস্যরা পরস্পরবিরোধী দুই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়টি প্রদেশ বিজেপির নেতৃত্ব কীভাবে দেখছে, তা স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে দলের যুব সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন নেতার পরিবারের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে কর্মীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে দাবি।
তবে একই পরিবারের সদস্যদের ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে থাকা নিজে কোনো বেআইনি বিষয় নয়। ভারতের রাজনৈতিক ব্যবস্থায় একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের ভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত থাকার নজির রয়েছে। ফলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওঠা প্রশ্ন মূলত দলীয় সাংগঠনিক অবস্থান, রাজনৈতিক স্বচ্ছতা এবং স্থানীয় কর্মীদের মধ্যে তৈরি হওয়া সংশয়কে ঘিরে।
এদিকে ৬ আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। তার মধ্যেই একই পরিবারের দুই ভাইয়ের দুই দলের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগের বিষয়টি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন—বিষয়টি কি শুধুই পারিবারিক রাজনৈতিক মতপার্থক্য, নাকি এর সঙ্গে দলের সাংগঠনিক কোনো সমীকরণ জড়িয়ে রয়েছে? প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্ব এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য সামনে এলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে।
এই অভিযোগ ও প্রশ্নগুলির বিষয়ে বীরেশ চক্রবর্তী, অমরনাথ চক্রবর্তী এবং প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্বের বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। তাঁদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করা হবে।।