Tripura 365
Editorial Team
নেপাল সফরে গিয়ে বিরল সম্মানে পেলেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠ। সোমবার কাঠমান্ডুতে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল তাঁকে নেপালি সেনার ‘অনারারি জেনারেল’ সম্মানে ভূষিত করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাম সহায় প্রসাদ যাদব, বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল, নেপালে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত নবীন শ্রীবাস্তব এবং নেপালি সেনাবাহিনী ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।ভারত ও নেপাল একে অপরের সেনাবাহিনীর প্রধানকে ‘জেনারেল’ সম্মান প্রদান করার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, ফের কি তাহলে দেশের ফৌজে ভর্তি হবে গোর্খারা?
১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় ভারত সিদ্ধান্ত নেয় গোর্খা রেজিমেন্ট বিলুপ্ত না করার। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ব্রিটেনও। যা আজও বলবৎ। তাই কেবল ভারতীয় সেনাতেই নয়, ব্রিটিশ সেনাতেও এখনও রয়েছে গোর্খা রেজিমেন্ট। এর নেপথ্যে রয়েছে একটি ত্রিপাক্ষিক চুক্তিও। ভারতীয় সেনার ৭টি গোর্খা রেজিমেন্টের ৩৯টি ব্যাটেলিয়নে রয়েছেন ৩২ হাজার নেপালি সেনা। অন্যদিকে ব্রিটেনের গোর্খা রেজিমেন্ট কর্মরত চার হাজারের সামান্য বেশি নেপালি সেনা। কিন্তু ২০২০ সালে বিশ্বজুড়ে অতিমারী হানা দেওয়ার পর গোর্খা রেজিমেন্টে নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। এখনও সেই নিযএদিকে ভারতের ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্পে নেপালকেও অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তুলেছেন নেপালি তরুণরা। শুধু তাই নয়, তাঁরা পথেও নেমেছেন। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন প্রাক্তন গোর্খা সৈন্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও। তবে নেপাল সরকার ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্পে যুক্ত হতে চান না। কারণ, এটি স্বল্পমেয়াদী। এই প্রকল্পে ৪ বছরের জন্য কর্মী নিয়োগ করা হয়। এই পরিস্থিতিতে রবিবার ৪ দিনের নেপাল সফরে গিয়েছেন ভারতের সেনাপ্রধান। অবশেষে কি দেশের সেনাবাহিনীতে গোর্খা নিয়োগে কাটবে জট? উত্তর দেবে সময়। ়োগ শুরু হয়নি।