Tripura 365
Editorial Team
বিজেপিকে কষিয়ে থাপ্পড় মেরেছে ট্রায়াল কোর্টের এই রায় — বেকসুর খালাস পাওয়ার পরেই কেন্দ্রকে কটাক্ষের এমনই সুর শোনা গেল আপ সুপ্রিমোর গলায়। রবিবার দিল্লির যন্তর–মন্তরে একটি র্যালিতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বক্তব্য, ‘আজ থেকে বিজেপির শাসন শেষ হওয়ার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল।’ গত শুক্রবার আবগারি নীতির সংক্রান্ত মামলায় দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল, তাঁর ডেপুটি মণীশ সিসোদিয়া–সহ ঘটনার জড়িত ২৩ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছে দিল্লির সিবিআই কোর্ট। তার দু’দিন পরেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দিকে আঙুল তুলে কেজরি অভিযোগ শানালেন, ‘মোদীজি এবং অমিত শাহ বছরের পর বছর ধরে বলে গিয়েছেন — কেজরিওয়াল দুর্নীতিগ্রস্ত এবং তিনি ঘুষ নিয়েছেন। এখন আদালতের বিচারকই মোদীকে বলে দিলেন — আপনি ভুল। কেজরি একজন কট্টর ইমানদার কেজরির কথায়, ‘আপ–কে পরাজিত করতে মন্ত্রীদের জেলের মধ্যে রাখার ব্যবস্থা করেছিল মোদী ও শাহ। তার ফলস্বরূপ আজ কী পাচ্ছে দিল্লি? অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স (একিউআই), বন্ধ হতে থাকা স্কুল, বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা, এমনকী বাড়িতে নোংরা পানীয় জল পাচ্ছেন সাধারণ নাগরিক। আমার সই করা যে কোনও ফাইল খুলে কেন্দ্র দেখাক তো, যে সেখানে এমন কোনও দুর্নীতি রয়েছে। আই লাভ মাই ইন্ডিয়া।’ তার পরেই জানালেন, ভারতকে আরও উন্নত করে তুলতেই তিনি এই দল গড়েছেন।এ দিনের র্যালিতে যোগ দেন হাজারের উপর বাস মার্শাল, চিকিৎসক, নার্স ও ফার্মাসিস্ট। অভিযোগ, তাঁদের মহল্লা ক্লিনিক থেকে অন্যায্য ভাবে বের করে দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ছিলেন দিল্লি পরিবহণ নিগম (ডিটিসি) থেকে চাকরি হারানো কয়েকজন চুক্তিভিত্তিক বাস চালক। কেজরির বক্তব্য, কংগ্রেসের প্রতি আস্থা হারিয়ে ২০১৪–এ বিজেপিকে ক্ষমতায় এনেছিলেন ভারতের মানুষ। কিন্তু ১২ বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষা, কর্মসংস্থান–সহ সব ক্ষেত্র ধ্বংস করে দেওয়া ছাড়া আর কী করতে পেরেছে তারা? তারা দেশ চালাতে চায় না, তারা শুধু ক্ষমতার পিছনে ছুটতে পারে।’ এই বলে চাকরি হারানো চিকিৎসক, নার্স ও ডিটিসির কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন প্রাক্তন দিল্লি সিএম। এ দিনের র্যালিতে ট্রাম্প–ট্যারিফ–সহ বর্তমান সমস্যাগুলো নিয়ে সরব হতে দেখা যায় মণীশ সিসোদিয়াকেও।