Tripura 365
Editorial Team
কংগ্রেস (Congress) ও আইএসএফের (ISF) সঙ্গে জোট প্রশ্নে এবার শক্ত হাতে ব্যাট চালালেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি (Sitaram Yechury)। যোগ্য সঙ্গত রাজ্য সম্পাদকের। সীতা ও সূর্য জুটির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে মুখে কুলুপ বিদ্রোহীদের। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট পার্টি কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত। আর ভোট প্রচারে আব্বাসকে পেতে জেলা নেতাদের মাতামাতি। পালটা জবাবে জোট বিরোধীদের মুখ বন্ধ করল আলিমুদ্দিন। যদিও সাংগাঠনিক দুর্বলতার ও পাশাপাশি পার্টির কৃষক ও শ্রমিক সংগঠনের ভূমিকা ভোটে ভরাডুবির কারণ বলেও মনে করছে পার্টি। তৃণমূল (TMC) ও বিজেপি বিরোধিতায় ‘বিজেমূল’ তত্ত্ব মানুষ খারিজ করেছে বলেও স্বীকার করেন কমরেডকুলের শিরোমণিরা।শনিবার সিপিএম রাজ্য কমিটির পর্যালোচনা বৈঠকের প্রথমদিন জোট প্রশ্নে কার্যত আড়াআড়ি ভাগ হয় আলিমুদ্দিন। নিজেদের দায় ঝেড়ে ফেলতে কংগ্রেসের সঙ্গে আব্বাস সিদ্দিকিকেও (Abbas Siddiqui) আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড় করায় পার্টির একাংশ। দ্বিতীয়দিন রবিবার জবাবি ভাষণে বিদ্রোহীদের কোণঠাসা করেন সীতারাম ও সূর্যকান্ত। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট ২০১৮ সালের পার্টি কংগ্রেস ও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত। সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী পার্টি কংগ্রেসেই আলোচনা হতে পারে জেলা নেতৃত্বকে স্মরণ করান সীতারাম। সঙ্গে সময় পেয়েও বঙ্গ পার্টির সংগঠন কেন মজবুত করা যায়নি তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পার্টির শাখা সংগঠনের কাজের মুল্যায়ন ও মানুষের কাছে পার্টি নেতৃত্বের যাওয়ার বিষটিতে যথেষ্ট খামতি ছিল বলেই মনে করেন তিনি। তবে সাংগাঠনিক দুর্বলতা কাটাতে যে নতুন মুখের সমাহার হয়েছে তাঁদের আরও বেশি করে নেতৃত্বে তুলে আনার কাজ করতে হবে বলে পরামর্শ দেন। সীতার এই বক্তব্য পার্টিতে বৃদ্ধতন্ত্রের অবসান ঘটানোর ইঙ্গিত বলেই মনে করছে আলিমুদ্দিনের একাংশ।