Tripura 365
Editorial Team
সংক্রমণ রুখতে লকডাউন এবং কড়া বাধানিষেধের ফলে দেশজুড়ে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণে আসছে মারণ করোনা ভাইরাস। মঙ্গলবারই দীর্ঘ ৬৬ দিন পর দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লক্ষের কম। এদিন সংক্রমণের হার সামান্য ঊর্ধ্বমুখী হলেও লক্ষাধিক নয়। স্বস্তি দিচ্ছে কমতে থাকা সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও। বাড়ছে সুস্থতার হারও।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৯২ হাজার ৫৯৬ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। দিল্লিতে অনেকখানি বাগে আনা সম্ভব হয়েছে মারণ ভাইরাসকে। মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্ণাটকেও অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ। তবে চলতি বছরই করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন দেশবাসী। যদিও কোভিডবিধি মেনে এবং টিকাকরণের মাধ্যমে তা রুখে দেওয়া সম্ভব বলেই দাবি কেন্দ্রের। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২ কোটি ৯০ লক্ষ ৮৯ হাজার ৬৯। তবে ভোলবদলে এই ভাইরাস আরও প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে। তাই ২৪ ঘণ্টায় ফের বাড়ল মৃতের সংখ্যা। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২,২১৯ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫২৮ জন।তবে মানুষ নতুন করে গৃহবন্দি হওয়ায় ধীরে ধীরে কমছে অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনার চিকিৎসাধীন মোট ১২ লক্ষ ৩১ হাজার ৪১৫ জন। একটা সময় অ্যাকটিভ কেস বাড়তে থাকায় হাসপাতালে বেড সংকট, অক্সিজেন সংকটে ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।সেই সঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৬৬৪ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ২ কোটি ৭৫ লক্ষ ৪ হাজার ১২৬ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ২৩ কোটি ৯০ লক্ষেরও বেশি মানুষ। তবে টিকাকরণের পাশাপাশি রোগী চিহ্নিত করতে চলছে টেস্টিংও। ICMR-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১৯ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯৬৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে।